ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুঁসিকাটায় জীবন পাল্টেছে লিজার, হয়েছেন আত্মনির্ভর

নেত্রকোণা লাইভ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

-ফয়সাল চৌধুরী
নেত্রকোণা

কুঁসিকাটায় জীবন পাল্টেছে লিজার, হয়েছেন আত্মনির্ভর
আফরোজা আক্তার লিজা। যিনি নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে নিয়েছেনে আর্থিক সক্ষমতায় তেমনি অর্ধশত অসচ্ছল নারীকেও স্বাবলম্বী হতে টেনে তুলছেন। নেত্রকোণা সদরের প্রত্যন্ত গ্রাম পঁচাশিপাড়া গ্রামে এক রক্ষণশীল পরিবারে জন্ম। বিয়ের পর টানাপোড়েনে স্বামীর সংসারেও টিকতে পারেননি। এক সন্তানকে নিয়ে একদিকে রক্ষণশীল পরিবার আরেকদিকে সংসার ভেঙ্গে যায়। এমন পরিস্থিতির পরতে পরতে থাকা বাঁধা ডিঙ্গিয়ে আজ সফল নারী উদ্যোক্তা। নিজে হয়েছেন আত্মনির্ভর।

২০০৩ সালে এসএসসি পাশ করার পর পারিবারিক অনীহায় ইচ্ছে থাকার পরও আর কলেজ জীবনে প্রবেশ করতে পারেননি। ২০০৭ সালে বিয়ে দিয়ে দেয় পরিবার। তখনও আশা ছিল স্বামী,সন্তান নিয়ে সুখের এক জীবন অতিবাহিত করবেন। কিন্তু সংসারে স্বামীর অবহেলা, লাঞ্ছনা,নিপীড়ন হয়ে দাঁড়ায় নিত্যদিনের। দিনের পর দিন এভাবেই এক সন্তানকে নিয়ে ৮ বছর কাটানোর পর আর হয়ে উঠেনি সংসারে থাকা। টিকতে না পেরে সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি ফিরে নেমে পড়েন জীবনের অসম যুদ্ধে।

বাবার পঁচাশীপাড়ার গ্রামের বাড়ি থেকে নেত্রকোণা শহরের মালনীরোডর পাটপট্রি এলাকার বাবার বাসায় উঠেন। শৈশবের রপ্ত থাকা সুঁই-সুতাকেই জীবনের পরবর্তী গল্পের আঁধার বানিয়ে এগোতে শুরু করেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরসহ অন্যান্য অধিদপ্তর থেকে ব্আফরোজা আক্তার লিজা। যিনি নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে নিয়েছেনে আর্থিক সক্ষমতায় তেমনি অন্তত অর্ধশত জন অসচ্ছল নারীকেও স্বাবলম্বী হতে টেনে তুলছেন। নেত্রকোণা সদরের প্রত্যন্ত গ্রাম পঁচাশিপাড়া গ্রামে এক রক্ষণশীল পরিবারে জন্ম। বিয়ের পর টানাপোড়েনে স্বামীর সংসারেও টিকতে পারেননি। এক সন্তানকে নিয়ে একদিকে রক্ষণশীল পরিবার আরেকদিকে সংসার ভেঙ্গে যায়। এমন পরিস্তিতির পরতে পরতে থাকা বাঁধা ডিঙ্গিয়ে আজ সফল নারী উদ্যোক্তা। নিজে হয়েছেন আত্মনির্ভর।

২০০৩ সালে এসএসসি পাশ করার পর পারিবারিক অনীহায় ইচ্ছে থাকার পরও আর কলেজ জীবনে প্রবেশ করতে পারেননি। ২০০৭ সালে বিয়ে দিয়ে দেয় পরিবার। তখনও আশা ছিল স্বামী,সন্তান নিয়ে সুখের এক জীবন অতিবাহিত করবেন। কিন্তু সংসারে স্বামীর অবহেলা, লাঞ্ছনা,নিপীড়ন হয়ে দাঁড়ায় নিত্যদিনের। দিনের পর দিন এভাবেই এক সন্তানকে নিয়ে ৮ বছর কাটানোর পর আর হয়ে উঠেনি সংসারে থাকা। টিকতে না পেরে সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি ফিরে নেমে পড়েন জীবনের অসম যুদ্ধে। নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে বাটিক, বিউটিফিকেশন,সেলাইসহ বিভিন্ন কাজে নেন প্রশিক্ষণ। এছাড়াও যুব উন্নয়ন ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) থেকে উদ্যোক্তার প্রশিক্ষণ নেন। উদ্যোক্তা হিসেবে বিসিকের নিবন্ধিত হন।

 

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

ট্যাগস :
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ ৫৪৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
Logo
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজর3:40 am
জোহর11:58 am
আসর4:38 pm
মাগরিব6:44 pm
ইশা8:12 pm
সূর্যোদয় - 5:07 amসূর্যাস্ত - 6:44 pm

কুঁসিকাটায় জীবন পাল্টেছে লিজার, হয়েছেন আত্মনির্ভর

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

-ফয়সাল চৌধুরী
নেত্রকোণা

কুঁসিকাটায় জীবন পাল্টেছে লিজার, হয়েছেন আত্মনির্ভর
আফরোজা আক্তার লিজা। যিনি নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে নিয়েছেনে আর্থিক সক্ষমতায় তেমনি অর্ধশত অসচ্ছল নারীকেও স্বাবলম্বী হতে টেনে তুলছেন। নেত্রকোণা সদরের প্রত্যন্ত গ্রাম পঁচাশিপাড়া গ্রামে এক রক্ষণশীল পরিবারে জন্ম। বিয়ের পর টানাপোড়েনে স্বামীর সংসারেও টিকতে পারেননি। এক সন্তানকে নিয়ে একদিকে রক্ষণশীল পরিবার আরেকদিকে সংসার ভেঙ্গে যায়। এমন পরিস্থিতির পরতে পরতে থাকা বাঁধা ডিঙ্গিয়ে আজ সফল নারী উদ্যোক্তা। নিজে হয়েছেন আত্মনির্ভর।

২০০৩ সালে এসএসসি পাশ করার পর পারিবারিক অনীহায় ইচ্ছে থাকার পরও আর কলেজ জীবনে প্রবেশ করতে পারেননি। ২০০৭ সালে বিয়ে দিয়ে দেয় পরিবার। তখনও আশা ছিল স্বামী,সন্তান নিয়ে সুখের এক জীবন অতিবাহিত করবেন। কিন্তু সংসারে স্বামীর অবহেলা, লাঞ্ছনা,নিপীড়ন হয়ে দাঁড়ায় নিত্যদিনের। দিনের পর দিন এভাবেই এক সন্তানকে নিয়ে ৮ বছর কাটানোর পর আর হয়ে উঠেনি সংসারে থাকা। টিকতে না পেরে সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি ফিরে নেমে পড়েন জীবনের অসম যুদ্ধে।

বাবার পঁচাশীপাড়ার গ্রামের বাড়ি থেকে নেত্রকোণা শহরের মালনীরোডর পাটপট্রি এলাকার বাবার বাসায় উঠেন। শৈশবের রপ্ত থাকা সুঁই-সুতাকেই জীবনের পরবর্তী গল্পের আঁধার বানিয়ে এগোতে শুরু করেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরসহ অন্যান্য অধিদপ্তর থেকে ব্আফরোজা আক্তার লিজা। যিনি নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে নিয়েছেনে আর্থিক সক্ষমতায় তেমনি অন্তত অর্ধশত জন অসচ্ছল নারীকেও স্বাবলম্বী হতে টেনে তুলছেন। নেত্রকোণা সদরের প্রত্যন্ত গ্রাম পঁচাশিপাড়া গ্রামে এক রক্ষণশীল পরিবারে জন্ম। বিয়ের পর টানাপোড়েনে স্বামীর সংসারেও টিকতে পারেননি। এক সন্তানকে নিয়ে একদিকে রক্ষণশীল পরিবার আরেকদিকে সংসার ভেঙ্গে যায়। এমন পরিস্তিতির পরতে পরতে থাকা বাঁধা ডিঙ্গিয়ে আজ সফল নারী উদ্যোক্তা। নিজে হয়েছেন আত্মনির্ভর।

২০০৩ সালে এসএসসি পাশ করার পর পারিবারিক অনীহায় ইচ্ছে থাকার পরও আর কলেজ জীবনে প্রবেশ করতে পারেননি। ২০০৭ সালে বিয়ে দিয়ে দেয় পরিবার। তখনও আশা ছিল স্বামী,সন্তান নিয়ে সুখের এক জীবন অতিবাহিত করবেন। কিন্তু সংসারে স্বামীর অবহেলা, লাঞ্ছনা,নিপীড়ন হয়ে দাঁড়ায় নিত্যদিনের। দিনের পর দিন এভাবেই এক সন্তানকে নিয়ে ৮ বছর কাটানোর পর আর হয়ে উঠেনি সংসারে থাকা। টিকতে না পেরে সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়ি ফিরে নেমে পড়েন জীবনের অসম যুদ্ধে। নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলেন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে বাটিক, বিউটিফিকেশন,সেলাইসহ বিভিন্ন কাজে নেন প্রশিক্ষণ। এছাড়াও যুব উন্নয়ন ও বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) থেকে উদ্যোক্তার প্রশিক্ষণ নেন। উদ্যোক্তা হিসেবে বিসিকের নিবন্ধিত হন।