1. u.jele.v.i.je.79@gmail.com : bHivkNDinIHPTNrvuH :
  2. hridoynews3355@gmail.com : Hridoypress : Hridoy Ahmed
  3. mahabubalama1993@gmail.com : Mahabub Alam : Mahabub Alam
  4. netrakonalive@gmail.com : NETRAKONA LIVE : NETRAKONA LIVE
  5. mdkayeasahmed@gmail.com : MD KAYEAS AHMED : MD KAYEAS AHMED
ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ (পর্ব০১)

নেত্রকোণা লাইভ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 নুরুল হুদা,স্টাফ রিপোর্টর

নেত্রকোনায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এনে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা উৎপল কুমার তালুকদারের বিরুদ্ধে ১৭ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া অভিযোগ করেছেন জমির খাজনা প্রদানকারী এক ভুক্তভোগী।

২১/০৮/২৪ ইং. বুধবার নেত্রকোনা সদর ভূমি সহকারী কমিশনার বরাবর এ অভিযোগ করেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের সদর জামন খানের ছেলে ভুক্তভোগী আবুল কালাম।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, গত ১২/০৮/২৪ ইং. তারিখে নেত্রকোনা সদর উপজেলা কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নে বসবাসরত আবুল কালাম তার ক্রয়কৃত জমির বাৎসরিক খাজনা প্রদান করতে নিকটস্থ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে, দায়িত্বরত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা উৎপল কুমার তালুকদার কালামের কাছে জমির খাজনা বাবদ মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। এমনতঅবস্থায় দর কষাকষির এক পর্যায়ে কোনো উপায়ান্তার না পয়ে ১৭ হাজার টাকা ভূমি কর্মকর্তা উৎপল কুমারকে দিতে সম্মতি প্রকাশ করেন কালাম।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ /০৮/২৪ ইং. তারিখে ভূমি কর্মকর্তা উৎপল কুমারের ব্যক্তিগত বিকাশে নম্বরে ৩ হাজার টাকা এবং ১৪ /০৮/ ২৪ ইং. তারিখে উৎপল কুমার তালুকদার তার ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর তোফায়েলের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর দিয়ে বাকী ১৪ হাজার টাকা পাঠাতে বললে ভুক্তভোগী আবুল কালাম তোফায়েল এর বিকাশে ১৪ হাজার টাকা পাঠান।

১৭ হাজার টাকা পরিশোধের পর ভূমি কর্মকর্তা উৎপল ২৩ শত ৯৯ টাকার ২ টি খাজা আদায়ের রশিদ প্রদান করেন খাজনাদাতা আবুল কালামের কাছে। যার একটি রশিদের মধ্যে ২৭৯ টাকা আর অন্য রশিদে ২১২০টাকা উল্লেখ রয়েছে।

এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললে টাকা নেন নাই বলে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন ।

অভিযোগের বিষয় নিয়ে উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন তদন্ত করে দোষী সাব্যস্ত হলে এর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

ট্যাগস :
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০২৪ ৩১৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
    • আপনি কি নেত্রকোণা লাইভ এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর3:40 am
    জোহর11:58 am
    আসর4:38 pm
    মাগরিব6:44 pm
    ইশা8:12 pm
    সূর্যোদয় - 5:07 amসূর্যাস্ত - 6:44 pm

    নেত্রকোনায় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ (পর্ব০১)

    প্রকাশের সময় : ০৪:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০২৪

     নুরুল হুদা,স্টাফ রিপোর্টর

    নেত্রকোনায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এনে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা উৎপল কুমার তালুকদারের বিরুদ্ধে ১৭ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া অভিযোগ করেছেন জমির খাজনা প্রদানকারী এক ভুক্তভোগী।

    ২১/০৮/২৪ ইং. বুধবার নেত্রকোনা সদর ভূমি সহকারী কমিশনার বরাবর এ অভিযোগ করেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের সদর জামন খানের ছেলে ভুক্তভোগী আবুল কালাম।

    অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, গত ১২/০৮/২৪ ইং. তারিখে নেত্রকোনা সদর উপজেলা কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নে বসবাসরত আবুল কালাম তার ক্রয়কৃত জমির বাৎসরিক খাজনা প্রদান করতে নিকটস্থ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে, দায়িত্বরত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা উৎপল কুমার তালুকদার কালামের কাছে জমির খাজনা বাবদ মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। এমনতঅবস্থায় দর কষাকষির এক পর্যায়ে কোনো উপায়ান্তার না পয়ে ১৭ হাজার টাকা ভূমি কর্মকর্তা উৎপল কুমারকে দিতে সম্মতি প্রকাশ করেন কালাম।

    তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৩ /০৮/২৪ ইং. তারিখে ভূমি কর্মকর্তা উৎপল কুমারের ব্যক্তিগত বিকাশে নম্বরে ৩ হাজার টাকা এবং ১৪ /০৮/ ২৪ ইং. তারিখে উৎপল কুমার তালুকদার তার ভূমি অফিসের কম্পিউটার অপারেটর তোফায়েলের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর দিয়ে বাকী ১৪ হাজার টাকা পাঠাতে বললে ভুক্তভোগী আবুল কালাম তোফায়েল এর বিকাশে ১৪ হাজার টাকা পাঠান।

    ১৭ হাজার টাকা পরিশোধের পর ভূমি কর্মকর্তা উৎপল ২৩ শত ৯৯ টাকার ২ টি খাজা আদায়ের রশিদ প্রদান করেন খাজনাদাতা আবুল কালামের কাছে। যার একটি রশিদের মধ্যে ২৭৯ টাকা আর অন্য রশিদে ২১২০টাকা উল্লেখ রয়েছে।

    এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললে টাকা নেন নাই বলে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন ।

    অভিযোগের বিষয় নিয়ে উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন তদন্ত করে দোষী সাব্যস্ত হলে এর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।