1. hridoynews3355@gmail.com : Hridoypress : Hridoy Ahmed
  2. talukderkajal@gmail.com : Kajal Talukder : Kajal Talukder
  3. mahabubalama1993@gmail.com : Mahabub Alam : Mahabub Alam
  4. netrakonalive@gmail.com : NETRAKONA LIVE : NETRAKONA LIVE
  5. mdkayeasahmed@gmail.com : MD KAYEAS AHMED : MD KAYEAS AHMED
ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দরিদ্র অটোরিক্সা চালকের সন্তানের মারাত্মক চক্ষু চিকিৎসাভার নিলেন নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক

নেত্রকোণা লাইভ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজীব সরকার, নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার ‘দুধি’ গ্রামের ১১ বছরের শিশু মোঃ জুনায়েদ। তার পিতা মোঃ জুয়েল মিয়া একজন দরিদ্র অটোরিক্সা চালক।

কয়েক বছর আগে অন্য শিশুদের সাথে খেলার সময় দূর্ঘটনা বশতঃ একটি বাঁশের আঘাতে শিশু জুনায়েদের ডান চোখ মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।



দৃশ্যত কোটর থেকে বেরিয়ে আসা এই চোখের চিকিৎসায় প্রাথমিকভাবে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় অটোরিক্সাচালক বাবার পক্ষে সম্ভব হয়নি তার চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা। প্রথমে কিছুদিন ময়মনসিংহের বিভাগীয় হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করলেও পরবর্তীতে অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যায় জুনায়েদের চিকিৎসা।

 




 

নিয়তির কাছে হার মেনে সেই কোটর থেকে বেরিয়ে থাকা চোখের তীব্র যন্ত্রণা আর সেইজন্য অনান্য শারিরীক সমস্যাকেই নিত্যদিনের সঙ্গী করে বছরের পর বছর চলে যাচ্ছিল দারিদ্রপীড়িত জুনায়েদের জীবন। দিন দিন চোখের সাথে সাথে কপাল সহ মুখমন্ডলের একাংশ ফুলে উঠতে থাকে আর সেই সাথে বাড়তে থাকে জুনায়েদের যন্ত্রণা।

জেলা প্রশাসক নেত্রকোণা

ঘটনাক্রমে জেলার সাংবাদিক জনাব রাজীব সরকারের দৃষ্টিগোচরে আসে শিশু জুনায়েদের এই অসহায়ত্ব।



 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুনায়েদকে সহ সেই মর্মস্পর্শী ঘটনা তুলে ধরেন তিনি৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ খবর প্রচারিত হবার পর তা সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব অঞ্জনা খান মজলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তথ্য অনুসন্ধান করে জুনায়েদকে তার অভিভাবক সহ তিনি তাঁর কার্যালয়ে আসার আহ্বান জানান। অতঃপর যেন পুনরায় আশার আলো দেখতে পায় জুনায়েদ ও তার পরিবার। তার তাৎক্ষণিক নির্দেশে জেলা প্রশাসকের পক্ষ হতে জুনায়েদের চিকিৎসা বাবদ নগদ ১০ হাজার টাকার সহায়তা প্রদান করা হয়।



 

সিদ্ধান্ত হয়, অতিদ্রুত সুচিকিৎসার জন্য জুনায়েদকে তার অভিভাবক সহ ঢাকার বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হবে এবং এ সংক্রান্ত ব্যাবস্থা গ্রহনে জেলার সমাজেসবা অধিদপ্তরকে এক মৌখিক নির্দেশে শিশু জুনায়েদের চিকিৎসাভার গ্রহণ করতে আহ্বান জানানো হয়৷

 



আশার আলো দেখছে ছোট্ট জুনায়েদ ও দারিদ্র্যের শিকার তার অসহায় পরিবার। আশার আলো দেখছে নেত্রকোণার সুনাগরিক সমাজ। কোমলপ্রাণ ও মানবিকতার যে বিশুদ্ধ চর্চা নেত্রকোণার জনপ্রিয় জেলা প্রশাসক জনাব অঞ্জনা খান মজলিশ মহোদয় প্রতিষ্ঠা করছেন, তার সুবাতাস ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসহায় মানুষের জন্য হবে এক নতুন জীবনের নতুন আশার সঞ্চালক।

 


Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

আপলোডকারীর তথ্য

MD KAYEAS AHMED

মোঃ কায়েশ আহমেদ নেত্রকোণার কলমাকান্দার একজন সমাজসেবক, প্রযুক্তি শিক্ষার্থী ও তরুণ সাংবাদিক। তিনি “স্বপ্নপুরী মানবকল্যাণ সংস্থা” ও “নেত্রকোণা লাইভ”-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক। অসহায়দের সেবা, রক্তদান, খাদ্য বিতরণ, শিশু উদ্ধার ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। এসব কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০২৫ সালে রাষ্ট্রপতি ভিডিপি (সেবা) পদক পান। বর্তমানে তিনি ঢাকায় নর্দান ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছেন এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাজসেবা ও সাংবাদিকতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ট্যাগস :
  • প্রকাশের সময় : ০১:১৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
    • আপনি কি নেত্রকোণা লাইভ এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
    ফজর3:40 am
    জোহর11:58 am
    আসর4:38 pm
    মাগরিব6:44 pm
    ইশা8:12 pm
    সূর্যোদয় - 5:07 amসূর্যাস্ত - 6:44 pm

    দরিদ্র অটোরিক্সা চালকের সন্তানের মারাত্মক চক্ষু চিকিৎসাভার নিলেন নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক

    প্রকাশের সময় : ০১:১৯:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

    রাজীব সরকার, নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ

    নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলার ‘দুধি’ গ্রামের ১১ বছরের শিশু মোঃ জুনায়েদ। তার পিতা মোঃ জুয়েল মিয়া একজন দরিদ্র অটোরিক্সা চালক।

    কয়েক বছর আগে অন্য শিশুদের সাথে খেলার সময় দূর্ঘটনা বশতঃ একটি বাঁশের আঘাতে শিশু জুনায়েদের ডান চোখ মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।



    দৃশ্যত কোটর থেকে বেরিয়ে আসা এই চোখের চিকিৎসায় প্রাথমিকভাবে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হওয়ায় অটোরিক্সাচালক বাবার পক্ষে সম্ভব হয়নি তার চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা। প্রথমে কিছুদিন ময়মনসিংহের বিভাগীয় হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করলেও পরবর্তীতে অর্থাভাবে বন্ধ হয়ে যায় জুনায়েদের চিকিৎসা।

     




     

    নিয়তির কাছে হার মেনে সেই কোটর থেকে বেরিয়ে থাকা চোখের তীব্র যন্ত্রণা আর সেইজন্য অনান্য শারিরীক সমস্যাকেই নিত্যদিনের সঙ্গী করে বছরের পর বছর চলে যাচ্ছিল দারিদ্রপীড়িত জুনায়েদের জীবন। দিন দিন চোখের সাথে সাথে কপাল সহ মুখমন্ডলের একাংশ ফুলে উঠতে থাকে আর সেই সাথে বাড়তে থাকে জুনায়েদের যন্ত্রণা।

    জেলা প্রশাসক নেত্রকোণা

    ঘটনাক্রমে জেলার সাংবাদিক জনাব রাজীব সরকারের দৃষ্টিগোচরে আসে শিশু জুনায়েদের এই অসহায়ত্ব।



     

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুনায়েদকে সহ সেই মর্মস্পর্শী ঘটনা তুলে ধরেন তিনি৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ খবর প্রচারিত হবার পর তা সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব অঞ্জনা খান মজলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তথ্য অনুসন্ধান করে জুনায়েদকে তার অভিভাবক সহ তিনি তাঁর কার্যালয়ে আসার আহ্বান জানান। অতঃপর যেন পুনরায় আশার আলো দেখতে পায় জুনায়েদ ও তার পরিবার। তার তাৎক্ষণিক নির্দেশে জেলা প্রশাসকের পক্ষ হতে জুনায়েদের চিকিৎসা বাবদ নগদ ১০ হাজার টাকার সহায়তা প্রদান করা হয়।



     

    সিদ্ধান্ত হয়, অতিদ্রুত সুচিকিৎসার জন্য জুনায়েদকে তার অভিভাবক সহ ঢাকার বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতালে পাঠানো হবে এবং এ সংক্রান্ত ব্যাবস্থা গ্রহনে জেলার সমাজেসবা অধিদপ্তরকে এক মৌখিক নির্দেশে শিশু জুনায়েদের চিকিৎসাভার গ্রহণ করতে আহ্বান জানানো হয়৷

     



    আশার আলো দেখছে ছোট্ট জুনায়েদ ও দারিদ্র্যের শিকার তার অসহায় পরিবার। আশার আলো দেখছে নেত্রকোণার সুনাগরিক সমাজ। কোমলপ্রাণ ও মানবিকতার যে বিশুদ্ধ চর্চা নেত্রকোণার জনপ্রিয় জেলা প্রশাসক জনাব অঞ্জনা খান মজলিশ মহোদয় প্রতিষ্ঠা করছেন, তার সুবাতাস ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসহায় মানুষের জন্য হবে এক নতুন জীবনের নতুন আশার সঞ্চালক।

     


    Facebook Comments Box