ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঁচ বছর যাবৎ প্যারালাইসিস রোগীই নাকি আধ্যাত্মিক কবিরাজ।

নেত্রকোণা লাইভ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নুরুল হুদা ক্রাইম রিপোর্টারঃ

নেত্রকোনায় কলমাকান্দা উপজেলা লেঙ্গুড়া ইউনিয়ন উত্তর তারানগর গ্রামের বিমল চন্দ্র মারাক ( বিজ্ঞান কবিরাজ )

এর নামে এলাকাবাসীর অভিযোগ নারি কেলেঙ্কারি সহ বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে রোগী দেখার নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

এ বিষয়ে বিজ্ঞান কবিরাজের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দেখা যায় তিনি নিজেই অন্যের কাঁদে চেপে চলেন তিনি কথা বলতে না পারায়

উনার ধর্মীয় এবং সামাজিক স্বীকৃতি না পাওয়া তৃতীয় স্ত্রী  রুপরেমা বলেন তার স্বপ্নে পাওয়া তন্ত্র মন্ত্র তাবিজ কবজ দিয়ে রোগীদেরকে সুস্থ করে থাকি। তিনি আমাকে ইশারায় দেখিয়ে দেন আমিই সব করি ।

সাংবাদিকরা এসব জিজ্ঞেস করায় তৃতীয় স্ত্রীর ছেলে ইনমানুয়েল রেমা রেগে বলেন আমরা কি করি না করি এটা আপনারা জিজ্ঞেস করার কে? আপনারা এখান থেকে ভালই ভালই চলে যান, না হয় আমাদের হাত কিন্তু অনেক লম্বা।

উনার প্রথম সংসারের বড় ছেলে সোহাগ মানখিন জানান শুরু থেকে অনেক বার নিষেধ করার পরেও তিনি লোকের সঙ্গে এই কবিরাজির নামে ভাওতাবাজি করেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে একাধিক মহিলাদের সঙ্গে মেলামেশা করেন।

এগুলো আমরা কখনো বিশ্বাস করিনা। তিনি আমাদের ধর্মীয় একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। কবিরাজি করার কারণে স্কুল থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়।

তারপরও তিনি ক্ষান্ত নন। আমাদের সঙ্গে ঝগড়া করে সামাজিক এবং ধর্মীয় স্বীকৃতি না থাকা সত্ত্বেও অবৈধ ভাবে রূপরেমা নামের এক মহিলাকে নিয়ে অসামাজিক এবং লোক ঠকানো তার এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ এর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান আপনাদের মাধ্যমে অবগত হয়েছি। লেঙ্গুড়া ইউনিয়নের ভিট পুলিশিং এর দায়িত্বে যিনি আছেন তাকে বলে দেওয়া হয়েছে যথাযথ তদন্ত করে এর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের বলেন এটা সম্পূর্ণ ভাঁওতাবাজি। কবিরাজি বলতে কোন কিছুই নাই। আমি অবগত ছিলাম না, তদন্ত করে এর আইনানুগভাবে ব্যবস্থা নিব।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ সেলিম মিয়ার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান মেডিকেল সাইন্সে কবিরাজি বলতে কোন কিছু নেই। আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখব তার ব্যাপারে কি আইনি ব্যবস্থা নেয়া যায়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

ট্যাগস :
  • প্রকাশের সময় : ০৫:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩ ২৯৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
Logo
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজর3:40 am
জোহর11:58 am
আসর4:38 pm
মাগরিব6:44 pm
ইশা8:12 pm
সূর্যোদয় - 5:07 amসূর্যাস্ত - 6:44 pm

পাঁচ বছর যাবৎ প্যারালাইসিস রোগীই নাকি আধ্যাত্মিক কবিরাজ।

প্রকাশের সময় : ০৫:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩

নুরুল হুদা ক্রাইম রিপোর্টারঃ

নেত্রকোনায় কলমাকান্দা উপজেলা লেঙ্গুড়া ইউনিয়ন উত্তর তারানগর গ্রামের বিমল চন্দ্র মারাক ( বিজ্ঞান কবিরাজ )

এর নামে এলাকাবাসীর অভিযোগ নারি কেলেঙ্কারি সহ বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে রোগী দেখার নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।

এ বিষয়ে বিজ্ঞান কবিরাজের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দেখা যায় তিনি নিজেই অন্যের কাঁদে চেপে চলেন তিনি কথা বলতে না পারায়

উনার ধর্মীয় এবং সামাজিক স্বীকৃতি না পাওয়া তৃতীয় স্ত্রী  রুপরেমা বলেন তার স্বপ্নে পাওয়া তন্ত্র মন্ত্র তাবিজ কবজ দিয়ে রোগীদেরকে সুস্থ করে থাকি। তিনি আমাকে ইশারায় দেখিয়ে দেন আমিই সব করি ।

সাংবাদিকরা এসব জিজ্ঞেস করায় তৃতীয় স্ত্রীর ছেলে ইনমানুয়েল রেমা রেগে বলেন আমরা কি করি না করি এটা আপনারা জিজ্ঞেস করার কে? আপনারা এখান থেকে ভালই ভালই চলে যান, না হয় আমাদের হাত কিন্তু অনেক লম্বা।

উনার প্রথম সংসারের বড় ছেলে সোহাগ মানখিন জানান শুরু থেকে অনেক বার নিষেধ করার পরেও তিনি লোকের সঙ্গে এই কবিরাজির নামে ভাওতাবাজি করেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে একাধিক মহিলাদের সঙ্গে মেলামেশা করেন।

এগুলো আমরা কখনো বিশ্বাস করিনা। তিনি আমাদের ধর্মীয় একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। কবিরাজি করার কারণে স্কুল থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়।

তারপরও তিনি ক্ষান্ত নন। আমাদের সঙ্গে ঝগড়া করে সামাজিক এবং ধর্মীয় স্বীকৃতি না থাকা সত্ত্বেও অবৈধ ভাবে রূপরেমা নামের এক মহিলাকে নিয়ে অসামাজিক এবং লোক ঠকানো তার এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানা অফিসার ইনচার্জ এর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান আপনাদের মাধ্যমে অবগত হয়েছি। লেঙ্গুড়া ইউনিয়নের ভিট পুলিশিং এর দায়িত্বে যিনি আছেন তাকে বলে দেওয়া হয়েছে যথাযথ তদন্ত করে এর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

এ বিষয়ে কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের বলেন এটা সম্পূর্ণ ভাঁওতাবাজি। কবিরাজি বলতে কোন কিছুই নাই। আমি অবগত ছিলাম না, তদন্ত করে এর আইনানুগভাবে ব্যবস্থা নিব।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলার সিভিল সার্জন ডাক্তার মোঃ সেলিম মিয়ার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান মেডিকেল সাইন্সে কবিরাজি বলতে কোন কিছু নেই। আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখব তার ব্যাপারে কি আইনি ব্যবস্থা নেয়া যায়।