1. hridoynews3355@gmail.com : Hridoypress : Hridoy Ahmed
  2. mahabubalama1993@gmail.com : Mahabub Alam : Mahabub Alam
  3. netrakonalive@gmail.com : NETRAKONA LIVE : NETRAKONA LIVE
  4. mdkayeasahmed@gmail.com : MD KAYEAS AHMED : MD KAYEAS AHMED
ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না স্ত্রীর অনুমতি-হাইকোর্ট

নেত্রকোণা লাইভ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজহারুল ইসলাম: দ্বিতীয় বিয়ে করতে প্রথম স্ত্রীর সরাসরি অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়—এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সম্প্রতি দেওয়া এক রায়ে আদালত বলেছেন, মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতির পরিবর্তে আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমোদনই আইনগতভাবে প্রযোজ্য।

 

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, অনেক ক্ষেত্রে ‘স্ত্রীর অনুমতি’ বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাইলে তাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা সিটি করপোরেশনের মেয়রের নেতৃত্বে গঠিত আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি নিতে হবে। তবে আইনে কোথাও প্রথম স্ত্রীর লিখিত বা মৌখিক অনুমতিকে সরাসরি শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

 

আদালত আরও বলেন, আরবিট্রেশন কাউন্সিল গঠনের সময় প্রথম স্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষদের মতামত নেওয়া হয়। কাউন্সিল পরিস্থিতি, প্রয়োজন ও ন্যায়সংগত কারণ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেয়। তাই এটিকে স্ত্রীর অধিকার খর্ব করার বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

 

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রায় বিদ্যমান আইনেরই ব্যাখ্যা মাত্র। তবে সামাজিক বাস্তবতায় বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। তারা মনে করেন, এই রায়ের ফলে দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্টতা আসবে।

 

নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, আইনে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি সরাসরি বাধ্যতামূলক না হলেও আরবিট্রেশন কাউন্সিলের মাধ্যমে নারীর মতামত ও অধিকার সুরক্ষিত থাকা জরুরি। এ বিষয়ে কাউন্সিলের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার দাবি জানান তারা।

 

উল্লেখ্য, অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দ্বিতীয় বিয়ের আগে অবশ্যই আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করতে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

আপলোডকারীর তথ্য

MD KAYEAS AHMED

মোঃ কায়েশ আহমেদ নেত্রকোণার কলমাকান্দার একজন সমাজসেবক, প্রযুক্তি শিক্ষার্থী ও তরুণ সাংবাদিক। তিনি “স্বপ্নপুরী মানবকল্যাণ সংস্থা” ও “নেত্রকোণা লাইভ”-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক। অসহায়দের সেবা, রক্তদান, খাদ্য বিতরণ, শিশু উদ্ধার ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। এসব কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০২৫ সালে রাষ্ট্রপতি ভিডিপি (সেবা) পদক পান। বর্তমানে তিনি ঢাকায় নর্দান ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছেন এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাজসেবা ও সাংবাদিকতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ট্যাগস :
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ৬০৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
    • আপনি কি নেত্রকোণা লাইভ এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর3:40 am
    জোহর11:58 am
    আসর4:38 pm
    মাগরিব6:44 pm
    ইশা8:12 pm
    সূর্যোদয় - 5:07 amসূর্যাস্ত - 6:44 pm

    দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না স্ত্রীর অনুমতি-হাইকোর্ট

    প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬

    আজহারুল ইসলাম: দ্বিতীয় বিয়ে করতে প্রথম স্ত্রীর সরাসরি অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়—এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সম্প্রতি দেওয়া এক রায়ে আদালত বলেছেন, মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতির পরিবর্তে আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমোদনই আইনগতভাবে প্রযোজ্য।

     

    রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, অনেক ক্ষেত্রে ‘স্ত্রীর অনুমতি’ বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাইলে তাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বা সিটি করপোরেশনের মেয়রের নেতৃত্বে গঠিত আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি নিতে হবে। তবে আইনে কোথাও প্রথম স্ত্রীর লিখিত বা মৌখিক অনুমতিকে সরাসরি শর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।

     

    আদালত আরও বলেন, আরবিট্রেশন কাউন্সিল গঠনের সময় প্রথম স্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষদের মতামত নেওয়া হয়। কাউন্সিল পরিস্থিতি, প্রয়োজন ও ন্যায়সংগত কারণ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেয়। তাই এটিকে স্ত্রীর অধিকার খর্ব করার বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

     

    আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রায় বিদ্যমান আইনেরই ব্যাখ্যা মাত্র। তবে সামাজিক বাস্তবতায় বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। তারা মনে করেন, এই রায়ের ফলে দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্টতা আসবে।

     

    নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, আইনে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি সরাসরি বাধ্যতামূলক না হলেও আরবিট্রেশন কাউন্সিলের মাধ্যমে নারীর মতামত ও অধিকার সুরক্ষিত থাকা জরুরি। এ বিষয়ে কাউন্সিলের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার দাবি জানান তারা।

     

    উল্লেখ্য, অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ফলে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, দ্বিতীয় বিয়ের আগে অবশ্যই আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করতে।