1. hridoynews3355@gmail.com : Hridoypress : Hridoy Ahmed
  2. mahabubalama1993@gmail.com : Mahabub Alam : Mahabub Alam
  3. netrakonalive@gmail.com : NETRAKONA LIVE : NETRAKONA LIVE
  4. mdkayeasahmed@gmail.com : MD KAYEAS AHMED : MD KAYEAS AHMED
ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনা সদরে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মোবাইল কোর্টের অভিযান, অভিভাবকদের জরিমানা ও কাউন্সিলিং

নেত্রকোণা লাইভ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

২২ এপ্রিল ২০২৫, নেত্রকোনা সদর:

নেত্রকোনা সদর উপজেলার রেল কলোনি, বড় স্টেশন, সাতপাই এলাকায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। গত ২২ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি. তারিখে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হাসিব-উল-আহসান।

বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ছেলের বয়স (১৫) ও মেয়ের বয়স (১৩)  দুই শিশুর বাল্যবিবাহের আয়োজন ভণ্ডুল করে দেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে কোনো মেয়েকে এবং ২১ বছরের নিচে কোনো ছেলেকে বিয়ে দেওয়া অপরাধ।

মোবাইল কোর্টে অভিযুক্ত শিশুদের অভিভাবকগণ তাদের দায় স্বীকার করেন এবং ৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে প্রত্যেকে ৫০০ টাকা করে মোট ১,০০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেন। এছাড়াও, ভবিষ্যতে সন্তানদের ১৮ বছরের আগে বিবাহ না দেওয়ার অঙ্গীকারে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় এবং পারিবারিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে তাদের সচেতন করা হয়।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মী আশরাফুল আলম খান, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নেত্রকোনা সদর। তিনি জানান, “বাল্যবিবাহ কেবল শিশুদের ভবিষ্যৎকেই ধ্বংস করে না, সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নেও বাধা সৃষ্টি করে। প্রশাসনের পাশাপাশি আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই এ ধরনের সামাজিক ব্যাধি রোধ সম্ভব।”

স্থানীয় প্রশাসনের এমন তৎপরতায় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

আপলোডকারীর তথ্য

MD KAYEAS AHMED

মোঃ কায়েশ আহমেদ নেত্রকোণার কলমাকান্দার একজন সমাজসেবক, প্রযুক্তি শিক্ষার্থী ও তরুণ সাংবাদিক। তিনি “স্বপ্নপুরী মানবকল্যাণ সংস্থা” ও “নেত্রকোণা লাইভ”-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক। অসহায়দের সেবা, রক্তদান, খাদ্য বিতরণ, শিশু উদ্ধার ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। এসব কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০২৫ সালে রাষ্ট্রপতি ভিডিপি (সেবা) পদক পান। বর্তমানে তিনি ঢাকায় নর্দান ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছেন এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাজসেবা ও সাংবাদিকতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ট্যাগস :
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫ ৪৮৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
    • আপনি কি নেত্রকোণা লাইভ এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর3:40 am
    জোহর11:58 am
    আসর4:38 pm
    মাগরিব6:44 pm
    ইশা8:12 pm
    সূর্যোদয় - 5:07 amসূর্যাস্ত - 6:44 pm

    নেত্রকোনা সদরে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মোবাইল কোর্টের অভিযান, অভিভাবকদের জরিমানা ও কাউন্সিলিং

    প্রকাশের সময় : ১০:৩৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

    ২২ এপ্রিল ২০২৫, নেত্রকোনা সদর:

    নেত্রকোনা সদর উপজেলার রেল কলোনি, বড় স্টেশন, সাতপাই এলাকায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। গত ২২ এপ্রিল ২০২৫ খ্রি. তারিখে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হাসিব-উল-আহসান।

    বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ছেলের বয়স (১৫) ও মেয়ের বয়স (১৩)  দুই শিশুর বাল্যবিবাহের আয়োজন ভণ্ডুল করে দেওয়া হয়। আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে কোনো মেয়েকে এবং ২১ বছরের নিচে কোনো ছেলেকে বিয়ে দেওয়া অপরাধ।

    মোবাইল কোর্টে অভিযুক্ত শিশুদের অভিভাবকগণ তাদের দায় স্বীকার করেন এবং ৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে প্রত্যেকে ৫০০ টাকা করে মোট ১,০০০ টাকা জরিমানা প্রদান করেন। এছাড়াও, ভবিষ্যতে সন্তানদের ১৮ বছরের আগে বিবাহ না দেওয়ার অঙ্গীকারে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় এবং পারিবারিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে তাদের সচেতন করা হয়।

    অভিযানে উপস্থিত ছিলেন শিশু সুরক্ষা সমাজকর্মী আশরাফুল আলম খান, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়, নেত্রকোনা সদর। তিনি জানান, “বাল্যবিবাহ কেবল শিশুদের ভবিষ্যৎকেই ধ্বংস করে না, সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নেও বাধা সৃষ্টি করে। প্রশাসনের পাশাপাশি আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই এ ধরনের সামাজিক ব্যাধি রোধ সম্ভব।”

    স্থানীয় প্রশাসনের এমন তৎপরতায় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

     

    Facebook Comments Box