ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্নীতি স্বর্গরাজ্যের আরেক নাম ভূমি কর্মকর্তা রফিক

নেত্রকোণা লাইভ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোহাম্মদ নুরুল হুদা

হরহামেশাই পত্রিকা,টেলিভিশন ও অনলাইন গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে আসছে দেশের ভূমি অফিসগুলোর দূর্নীতি ও ঘুস গ্রহণের সংবাদ ।

এইসব অফিস থেকে টাকা ছাড়া আজকাল কাজ আদায় এই সময়ের প্রেক্ষাপটে যেন ডুমুরেরফুল ।

এমনই এক নতুন গল্প নেত্রকোণায় বারহাট্টা উপজেলা সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্মকর্তা ( নায়েব) রফিক মিয়া।গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি সাংঘাতিক বলেও আখ্যা দিয়ে থাকেন।

ঘোষের পদ্ধতি ছাড়া সাধারণ পথে মিলছে না কোন সেবা, টাকা না দিলে ভুক্তভোগীদের হতে হয় নানা হয়রানির শিকার। এমনটাই ভাষ্য স্থানীয়দের।
ঘোষ গ্রহণের জন্য পা তোলে বসার জন্য সরকার প্রদত্ত নিজের চেয়ারতো আছেই পাশাপাশি অফিসের ভিতরেই রয়েছে গোপন কক্ষ।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের পর মিলে স্থানীয়দের বলা অভিযোগের সত্যতা। ঘটনার সত্যতা ও প্রমাণ স্বরূপ ভিডিও, স্থিরচিত্র সংগৃহীত ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগী একজন বলেন, ‘ঘুষের টাকার দরকষাকষির জন্য বাহিরেও তাদের নিজস্ব লোকজন রাখা আছে। তাদের কথায় মিটমাট হলে তারপরই কাজ করা হয়৷ নইলে হবে না বলে ফেরত পাঠান। এক কাজের জন্য বারবার গিয়েও ফিরতে হয় শুন্য হাতে একবুক হতাশা নিয়ে।

এ নিয়ে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) রফিক মিয়ার কাছে উক্ত বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ক্যামেরা দেখে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট টেলিভিশনে কর্তব্যরত একাধিক সিনিয়র গণমাধ্যম কর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আত্মীয় পরিচয় দেন।পরবর্তী তারই একাধিক প্রতিনিধি পাঠিয়ে গণমাধ্যম কর্মীকে এ ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ না করতে টাকা (ঘুষ)দিতে চান।

এমন ঘটনায় আরেক ভুক্তভোগী রহিমা (ছদ্মনাম) বলেন, জমি খারিজ করতে তার নিকট ১৬ হাজার টাকা নিয়ে অনেক ঘোরাঘুরির পর জমির দখল না থাকা সত্ত্বেও তদন্ত না করেই (নামজারি) খারিজ করে দেন ।

এমনই আরেক ভুক্তভোগী শিমুল (ছদ্মনাম) বলেন ছয় মাস পূর্বে ডিসি(জেলা প্রশাসন) অফিসের আদেশ থাকা সত্ত্বেও টাকা দিয়েও ছাড়াতে পারিনি ফাইল।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার ববি’র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ‘বিষয়টা লিখিত আকারে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টা আমি খতিয়ে দেখব।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

ট্যাগস :
  • প্রকাশের সময় : ০১:০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩ ২৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
Logo
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজর3:40 am
জোহর11:58 am
আসর4:38 pm
মাগরিব6:44 pm
ইশা8:12 pm
সূর্যোদয় - 5:07 amসূর্যাস্ত - 6:44 pm

দুর্নীতি স্বর্গরাজ্যের আরেক নাম ভূমি কর্মকর্তা রফিক

প্রকাশের সময় : ০১:০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৩

মোহাম্মদ নুরুল হুদা

হরহামেশাই পত্রিকা,টেলিভিশন ও অনলাইন গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে আসছে দেশের ভূমি অফিসগুলোর দূর্নীতি ও ঘুস গ্রহণের সংবাদ ।

এইসব অফিস থেকে টাকা ছাড়া আজকাল কাজ আদায় এই সময়ের প্রেক্ষাপটে যেন ডুমুরেরফুল ।

এমনই এক নতুন গল্প নেত্রকোণায় বারহাট্টা উপজেলা সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস কর্মকর্তা ( নায়েব) রফিক মিয়া।গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি সাংঘাতিক বলেও আখ্যা দিয়ে থাকেন।

ঘোষের পদ্ধতি ছাড়া সাধারণ পথে মিলছে না কোন সেবা, টাকা না দিলে ভুক্তভোগীদের হতে হয় নানা হয়রানির শিকার। এমনটাই ভাষ্য স্থানীয়দের।
ঘোষ গ্রহণের জন্য পা তোলে বসার জন্য সরকার প্রদত্ত নিজের চেয়ারতো আছেই পাশাপাশি অফিসের ভিতরেই রয়েছে গোপন কক্ষ।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের পর মিলে স্থানীয়দের বলা অভিযোগের সত্যতা। ঘটনার সত্যতা ও প্রমাণ স্বরূপ ভিডিও, স্থিরচিত্র সংগৃহীত ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগী একজন বলেন, ‘ঘুষের টাকার দরকষাকষির জন্য বাহিরেও তাদের নিজস্ব লোকজন রাখা আছে। তাদের কথায় মিটমাট হলে তারপরই কাজ করা হয়৷ নইলে হবে না বলে ফেরত পাঠান। এক কাজের জন্য বারবার গিয়েও ফিরতে হয় শুন্য হাতে একবুক হতাশা নিয়ে।

এ নিয়ে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) রফিক মিয়ার কাছে উক্ত বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ক্যামেরা দেখে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট টেলিভিশনে কর্তব্যরত একাধিক সিনিয়র গণমাধ্যম কর্মী থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আত্মীয় পরিচয় দেন।পরবর্তী তারই একাধিক প্রতিনিধি পাঠিয়ে গণমাধ্যম কর্মীকে এ ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ না করতে টাকা (ঘুষ)দিতে চান।

এমন ঘটনায় আরেক ভুক্তভোগী রহিমা (ছদ্মনাম) বলেন, জমি খারিজ করতে তার নিকট ১৬ হাজার টাকা নিয়ে অনেক ঘোরাঘুরির পর জমির দখল না থাকা সত্ত্বেও তদন্ত না করেই (নামজারি) খারিজ করে দেন ।

এমনই আরেক ভুক্তভোগী শিমুল (ছদ্মনাম) বলেন ছয় মাস পূর্বে ডিসি(জেলা প্রশাসন) অফিসের আদেশ থাকা সত্ত্বেও টাকা দিয়েও ছাড়াতে পারিনি ফাইল।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার ববি’র সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ‘বিষয়টা লিখিত আকারে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টা আমি খতিয়ে দেখব।