1. arafatrony080@gmail.com : Arafat Rony : Arafat Rony
  2. didargfx@gmail.com : Didar Ahmed : Didar Ahmed
  3. sunajur1971@gmail.com : Foysal Chowdhury : Foysal Chowdhury
  4. sojibroyhriday@gmail.com : Hridoy Roy : Hridoy Roy
  5. hridoynews3355@gmail.com : Hridoypress : Hridoy Ahmed
  6. jashimshek932@gmail.com : Md Jashim Uddin : Md Jashim Uddin
  7. talukderkajal@gmail.com : Kajal Talukder : Kajal Talukder
  8. mahabubalama1993@gmail.com : Mahabub Alam : Mahabub Alam
  9. news.sk.24bd@gmail.com : Masud :
  10. netrakonalive@gmail.com : NETRAKONA LIVE : NETRAKONA LIVE
  11. Roshidshahinur@gmail.com : Md Roshid : Md Roshid
  12. mdkayeasahmed@gmail.com : MD KAYEAS AHMED : MD KAYEAS AHMED
পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে পুলিশের সদস্যের ছুটে চলার কাহিনী
ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে পুলিশের সদস্যের ছুটে চলার কাহিনী

নেত্রকোণা লাইভ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেট নগরীতে মোটরসাইকেল যোগে গায়ে পুলিশের পোশাক আর পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটছেন এক যুবক- এমন একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে।

পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে পুলিশের সদস্যের ছুটে চলার কাহিনী,…



ঘটনাটি গত সোমবার এর ছবিটি সিলেট শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল এলাকা থেকে তোলা হয়েছিল।

আরো পড়ুন:সিধলী নাজিরপুর ভাঙ্গা ব্রিজে ভোগান্তিতে এলাকার মানুষ- এএসপি দূর্গাপুর সার্কেল নেত্রকোণা

পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বাঁধা সেই সফি আহমেদ সিলেট মহানগর পুলিশের (নায়েক)।
গত বছর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকেই মানবিক সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে আসেন সফি।
সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া ও কমিউনিটি সার্ভিস বিভাগে কাজ করেন সফি।



সিলেটে এক বছরের বেশি সময় ধরে চলমান সফির এ কার্যক্রম।
এ কাজে আরও কিছু তরুণকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন মানবিক টিম নামের একটি সংগঠন।

এ সংগঠনের পক্ষ থেকে খাদ্য বিরতণ, প্লাজমা, অক্সিজেন সিলিন্ডার, ওষুধসহ চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন তারা।



ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবি সম্পর্কে মানবিক টিমের প্রধান সমন্বয়ক সফি আহমদ মঙ্গলবার বলেন, ‘সোমবার দুপুরে আমি নগরের শেখঘাট এলাকার একটি টিকাদান কেন্দ্রে ডিউটিতে ছিলাম।

এমন সময় অচেনা নম্বর থেকে দুইটি ফোন আসে। জরুরি ভিত্তিতে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রয়োজন। রোগী শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি।’



সফি বলেন, ‘একটু পরই আমার ডিউটি শেষ হয়। আমার মোটরসাইকেল তখন একজন নিয়ে গেছেন।
আমি আরেকজনের মোটরসাইকেল নিয়ে বাসায় রাখা অক্সিজেন সিলিন্ডার পিঠে বেঁধে হাসপাতালে ছুটে যাই।
সেখানে গিয়ে শুনি রোগীকে শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি।
স্বজনরা তাকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। এরপর আমি দুটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ওসমানীতে পৌঁছে দেই।



শামসুদ্দিন হাসপাতালের আশপাশ থেকে কেউ ছবি তুলে ফেসবুকে আপ করেন বলে জানান শফি। অক্সিজেন সিলিন্ডার দেয়া দুই রোগীরই করোনার উপসর্গ রয়েছে।
তবে তারা এখন অনেকটা সুস্থ আছেন বলে জানান তিনি।

নিজের কার্যক্রম সম্পর্কে সফি বলেন, ‘গত বছর ২৬ মার্চ থেকে আমরা সহায়তা কর্মসূচি শুরু করি।
লকডাউনে বিপাকে পড়া দরিদ্র মানুষদের সহায়তার জন্যই উদ্যোগ নিয়েছিলাম।
প্রথমে খাদ্য সহায়তা করতাম। এখন সহায়তার পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।
আরও অনেকে আমার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।’দেশে ও প্রবাসের অনেকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন বলেও জানান সফি।



এখন ২৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত রয়েছে জানিয়ে সফি বলেন, ‘ফোন পেলেই মানবিক টিমের সদস্যরা অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দেন।

মাত্র ২৫টি সিলিন্ডার নিয়ে সেবা দিতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। অক্সিজেনের জন্য আমাদের কাছে প্রতিদিন শ খানেক ফোন আসে।’



সফি বলেন, ‘অনেকে আমাদের টাকা দিয়েছেন। কেউ কেউ অক্সিজেন সিলিন্ডার দান করেছেন। আমরা সেগুলো মানুষের প্রয়োজনে পৌঁছে দিচ্ছি।’

অক্সিজেন সেবা ছাড়াও রোগীর প্রয়োজনে প্লাজমা সংগ্রহ করে দিচ্ছে সফির মানবিক টিম। সফি বলেন, ‘আজও আমরা দুইটা প্লাজমা সংগ্রহ করে দিয়েছি।

এভাবে প্রতিদিনই একটা-দুইটা প্লাজমা দিতে হয়। এ ছাড়া আমাদের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিও অব্যাহত আছে। হতদরিদ্র কিছু রোগীর জন্য ওষুধও সংগ্রহ করে দেই।’



সফি জানান, দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, অসহায় শিক্ষার্থী ও হতদরিদ্র মানুষদের সাহায্য শুরু করেন তিনি।

কখনও চাল, ডাল, নুন, তেল দিয়ে, কখনও রান্না করা খাবার দিয়ে। রক্ত ও প্লাজমা সংগ্রহ করে দেন। আবার করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দাফনেও সহায়তা করে মানবিক টিম।
তবে এখন অক্সিজেন সেবাই বেশি দিতে হচ্ছে।



সফির কার্যক্রম সম্পর্কে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন, ‘পুলিশের কমিউনিটি সার্ভিস কার্যক্রমেরই একটি অংশ স্বেচ্ছাসেবার মাধ্যমে মানুষকে সহায়তা করা।

আমাদের টিমের সদস্য হিসেবে সফি এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

‘তার মানবিক কর্মকাণ্ড প্রশংসার দাবিদার। আমরা সবসময়ই তাকে উৎসাহ দিই।

এসব কাজ পুলিশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করে। তার সঙ্গে অনেক শিক্ষার্থীরাও স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছে।

নেত্রকোণা লাইভ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন &
https://youtu.be/nr-pLCBOBYU

আরো পড়ুন:
এই প্রথম নেত্রকোণায় অসহায় প্রাণীদের নিয়ে কাজ করছে পেট রেস্কিউ টিম

www.netrakonalive.com

(পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে পুলিশের সদস্যের ছুটে চলার কাহিনী)

Facebook Comments Box

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

আপলোডকারীর তথ্য

MD KAYEAS AHMED

মোঃ কায়েশ আহমেদ নেত্রকোণার কলমাকান্দার একজন সমাজসেবক, প্রযুক্তি শিক্ষার্থী ও তরুণ সাংবাদিক। তিনি “স্বপ্নপুরী মানবকল্যাণ সংস্থা” ও “নেত্রকোণা লাইভ”-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক। অসহায়দের সেবা, রক্তদান, খাদ্য বিতরণ, শিশু উদ্ধার ও তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। এসব কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০২৫ সালে রাষ্ট্রপতি ভিডিপি (সেবা) পদক পান। বর্তমানে তিনি ঢাকায় নর্দান ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ছেন এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে সমাজসেবা ও সাংবাদিকতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
  • প্রকাশের সময় : ০২:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ আগস্ট ২০২১ ৬৭৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
    • আপনি কি নেত্রকোণা লাইভ এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
    ফজর3:40 am
    জোহর11:58 am
    আসর4:38 pm
    মাগরিব6:44 pm
    ইশা8:12 pm
    সূর্যোদয় - 5:07 amসূর্যাস্ত - 6:44 pm

    পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে পুলিশের সদস্যের ছুটে চলার কাহিনী

    প্রকাশের সময় : ০২:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ আগস্ট ২০২১

    সিলেট নগরীতে মোটরসাইকেল যোগে গায়ে পুলিশের পোশাক আর পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটছেন এক যুবক- এমন একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে।

    পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে পুলিশের সদস্যের ছুটে চলার কাহিনী,…



    ঘটনাটি গত সোমবার এর ছবিটি সিলেট শহীদ ডা. শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল এলাকা থেকে তোলা হয়েছিল।

    আরো পড়ুন:সিধলী নাজিরপুর ভাঙ্গা ব্রিজে ভোগান্তিতে এলাকার মানুষ- এএসপি দূর্গাপুর সার্কেল নেত্রকোণা

    পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বাঁধা সেই সফি আহমেদ সিলেট মহানগর পুলিশের (নায়েক)।
    গত বছর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকেই মানবিক সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে আসেন সফি।
    সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া ও কমিউনিটি সার্ভিস বিভাগে কাজ করেন সফি।



    সিলেটে এক বছরের বেশি সময় ধরে চলমান সফির এ কার্যক্রম।
    এ কাজে আরও কিছু তরুণকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন মানবিক টিম নামের একটি সংগঠন।

    এ সংগঠনের পক্ষ থেকে খাদ্য বিরতণ, প্লাজমা, অক্সিজেন সিলিন্ডার, ওষুধসহ চিকিৎসা সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছেন তারা।



    ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবি সম্পর্কে মানবিক টিমের প্রধান সমন্বয়ক সফি আহমদ মঙ্গলবার বলেন, ‘সোমবার দুপুরে আমি নগরের শেখঘাট এলাকার একটি টিকাদান কেন্দ্রে ডিউটিতে ছিলাম।

    এমন সময় অচেনা নম্বর থেকে দুইটি ফোন আসে। জরুরি ভিত্তিতে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রয়োজন। রোগী শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি।’



    সফি বলেন, ‘একটু পরই আমার ডিউটি শেষ হয়। আমার মোটরসাইকেল তখন একজন নিয়ে গেছেন।
    আমি আরেকজনের মোটরসাইকেল নিয়ে বাসায় রাখা অক্সিজেন সিলিন্ডার পিঠে বেঁধে হাসপাতালে ছুটে যাই।
    সেখানে গিয়ে শুনি রোগীকে শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি।
    স্বজনরা তাকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। এরপর আমি দুটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ওসমানীতে পৌঁছে দেই।



    শামসুদ্দিন হাসপাতালের আশপাশ থেকে কেউ ছবি তুলে ফেসবুকে আপ করেন বলে জানান শফি। অক্সিজেন সিলিন্ডার দেয়া দুই রোগীরই করোনার উপসর্গ রয়েছে।
    তবে তারা এখন অনেকটা সুস্থ আছেন বলে জানান তিনি।

    নিজের কার্যক্রম সম্পর্কে সফি বলেন, ‘গত বছর ২৬ মার্চ থেকে আমরা সহায়তা কর্মসূচি শুরু করি।
    লকডাউনে বিপাকে পড়া দরিদ্র মানুষদের সহায়তার জন্যই উদ্যোগ নিয়েছিলাম।
    প্রথমে খাদ্য সহায়তা করতাম। এখন সহায়তার পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে।
    আরও অনেকে আমার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।’দেশে ও প্রবাসের অনেকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন বলেও জানান সফি।



    এখন ২৫টি অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত রয়েছে জানিয়ে সফি বলেন, ‘ফোন পেলেই মানবিক টিমের সদস্যরা অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দেন।

    মাত্র ২৫টি সিলিন্ডার নিয়ে সেবা দিতে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। অক্সিজেনের জন্য আমাদের কাছে প্রতিদিন শ খানেক ফোন আসে।’



    সফি বলেন, ‘অনেকে আমাদের টাকা দিয়েছেন। কেউ কেউ অক্সিজেন সিলিন্ডার দান করেছেন। আমরা সেগুলো মানুষের প্রয়োজনে পৌঁছে দিচ্ছি।’

    অক্সিজেন সেবা ছাড়াও রোগীর প্রয়োজনে প্লাজমা সংগ্রহ করে দিচ্ছে সফির মানবিক টিম। সফি বলেন, ‘আজও আমরা দুইটা প্লাজমা সংগ্রহ করে দিয়েছি।

    এভাবে প্রতিদিনই একটা-দুইটা প্লাজমা দিতে হয়। এ ছাড়া আমাদের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিও অব্যাহত আছে। হতদরিদ্র কিছু রোগীর জন্য ওষুধও সংগ্রহ করে দেই।’



    সফি জানান, দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, অসহায় শিক্ষার্থী ও হতদরিদ্র মানুষদের সাহায্য শুরু করেন তিনি।

    কখনও চাল, ডাল, নুন, তেল দিয়ে, কখনও রান্না করা খাবার দিয়ে। রক্ত ও প্লাজমা সংগ্রহ করে দেন। আবার করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দাফনেও সহায়তা করে মানবিক টিম।
    তবে এখন অক্সিজেন সেবাই বেশি দিতে হচ্ছে।



    সফির কার্যক্রম সম্পর্কে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন, ‘পুলিশের কমিউনিটি সার্ভিস কার্যক্রমেরই একটি অংশ স্বেচ্ছাসেবার মাধ্যমে মানুষকে সহায়তা করা।

    আমাদের টিমের সদস্য হিসেবে সফি এসব কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    ‘তার মানবিক কর্মকাণ্ড প্রশংসার দাবিদার। আমরা সবসময়ই তাকে উৎসাহ দিই।

    এসব কাজ পুলিশের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল করে। তার সঙ্গে অনেক শিক্ষার্থীরাও স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছে।

    নেত্রকোণা লাইভ ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন &
    https://youtu.be/nr-pLCBOBYU

    আরো পড়ুন:
    এই প্রথম নেত্রকোণায় অসহায় প্রাণীদের নিয়ে কাজ করছে পেট রেস্কিউ টিম

    www.netrakonalive.com

    (পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে পুলিশের সদস্যের ছুটে চলার কাহিনী)

    Facebook Comments Box